ড. শাওকি মুহাম্মাদ আবু খলিল

1
48
ড. শাওকি মুহাম্মাদ আবু খলিল (১৯৪১-২০১০)
ড. শাওকি মুহাম্মাদ আবু খলিল (১৯৪১-২০১০)।
ড. শাওকি মুহাম্মাদ আবু খলিল (১৯৪১-২০১০)।
ইতিহাসবিদ, বিখ্যাত গবেষক, ইসলামি ইতিহাস ও জ্ঞানের মানচিত্রকার, জনপ্রিয় আলোচক।
ড. শাওকি ১৯৪১ সালে ফিলিস্তিনের ‘বিসান’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। লেখক ১৯৬৫ সালে দামেশক ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস বিভাগের কলা অনুষদে স্নাতক পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ করেন। অতঃপর বিজ্ঞান একাডেমি থেকে ইতিহাস বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করার জন্য আজারবাইজান গমন করেন। পড়ালেখা শেষ করে তিনি সিরিয়ার তত্ত্ববাধানে পরিচালিত বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ইতিহাসের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর দামেশকের বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে অধ্যাপনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েছেন।
১৯৮৬-১৯৮৮ পর্যন্ত ‘শেখ আহমদ কাফতারো কমপ্লেক্স কলেজে’ প্রাচ্যবাদ ও ইসলামি সভ্যতা বিষয়ে অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৮৮-১৯৯৭ পর্যন্ত ‘দামেশক বিশ্ববিদ্যালয়ে’ শরিয়াহ অনুষদের প্রভাষক ছিলেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ‘জময়িয়্যাতুল ফাতহিল ইসলামি সোসাইটি’র অধ্যাপক এবং ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ‘ইসলামিক দাওয়া কলেজ’ ও ‘দামেশক বিশ্ববিদ্যালয়ে’র শরিয়া কলেজে ইতিহাস
বিষয়েও ক্লাস নিতেন। অধ্যাপনা ও শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি লেখালেখিতেও ছিলেন বেশ পারঙ্গম। ১৯৯১ সাল থেকে মৃত্যু অবধি তিনি দামেশকের ‘দারুল ফিকরে’র প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দারুল ফিকর থেকেই তাঁর অধিকাংশ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
আরো পড়ুন- ইলমুত তাজবীদের পরিচয় ও হুকুম
তাঁর লিখিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: ‘আল-কাদিসিয়া’, ‘আল-ইসলাম ফি কফসিল ইত্তিহাম’, ‘মান যায়্যাআল কুরআন’, ‘ফাতহুল আনদালুস’, ‘বালাতুশ শুহাদা’, ‘আওয়ামিলুন নাস্ত্র ওয়াল হাজিমাহ’, ‘হারুনুর রশীদ’, ‘আতলাসুল কুরআন’, ‘আতলাসুল হাদিসিস শরিফ’, ‘আতলাসুত তারিখিল আরবি আল-ইসলামি’, ও ‘আল হাজারাতুল আরবিয়া আল-ইসলামিয়া’ অন্যতম। তাঁর মানচিত্রবিষয়ক গ্রন্থগুলো পৃথিবীজুড়ে অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর একাধিক গ্রন্থ নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
১৪ রমজান ১৪৩১ হিজরি, মোতাবেক ২৪ আগস্ট ২০১০ সাল রোজ মঙ্গলবার লেখক মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে পরলোক গমন করেন।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here